স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার, যুব লীগ নেতা ও অন্নান্য নেতাদের ছত্রছায়ায় প্রতি সপ্তাহে ঢাকা কলেজের সামনে ও নিউ মার্কেটের ভিতরে ও সামনে থেকে কোটি টাকার চাঁদাবাজি চলছে। এতে পুরো এলাকায় এক ধরণের বিশৃঙ্খল পরিবেশ বহুকাল ধরে বিরাজমান। ঢাকা সিটির অন্যান্য এলাকার উন্নত পরিবেশ তৈরী হলেও এ নির্দিষ্ট এলাকাটির পরিবেশের উন্নয়ন হয়নি। উন্নত মার্কেট ও শপিং সেন্টার ধানমন্ডি, মিরপুর রোড, বনানী, পান্থপথ, কুড়িল এবং উত্তরা সহ সর্বত্র গড়ে উঠলেও এখানে উন্নত পরিবেশ গড়ে উঠেনি। কিন্তু এই নিউ মার্কেটই ছিল বাংলাদেশের সর্বপ্রথম মার্কেট। এর উন্নত না হবার পেছনের কারণ কি? নিয়মিত চাদা খাবার পথ বন্ধ হয়ে যাবে দেখে স্থানীয় নেতৃবর্গই কি বন্ধ রেখেছে এর উন্নয়ন? পরিবেশ ভয়ঙ্কর করে রাখার জন্যই কি গত কদিন আগে ভয়াবহ ছাত্র ব্যবসায়ী সংঘর্ষ ঘটানো হয়েছিল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে?

জানা গেছে স্থানীয় ১৮ নং ওয়ার্ড কমিশনার, আওয়ামী লীগ, যুব লীগ, ঢাকা কলেজ ছাত্র লীগ এর পেছনে জড়িত। লাখ টাকার চাঁদাবাজি চলছে হকারদের রাস্তা ও ফুটপাথের উপর বসিয়ে দিয়ে। এ কারণে এ এলাকায় যানজট ও পথযাত্ৰীজট লেগেই থাকে। পরিবেশ অপরিছন্ন, বিশৃঙ্খল, অন্নুনত, মহিলা ক্রেতাদের জন্য অনিরাপদ, ও অস্বাস্থকর। এ চাদার ভাগে পুলিশও আছে। লাইনম্যানদের মাধ্যমে হকারদের পসরার জায়গা দেয়া হয়, ও দিন শেষে চাঁদা তোলা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এ পর্যন্ত কোনো কার্যকর বেবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানা যায়না। তারা এর পরিবেশ ঠিক করার দায়িত্ব প্রাপ্ত নয় বলেও জানিয়েছে। আসলে এরা কি স্বার্থে এ কথা বলছে এটাও ভাবার বিষয়। অন্যদি একথা বলতে হয়, সিটি কর্পোরেশেনর দায়িত্ব না হলে এতো বড় বিস্তৃত মার্কেটের শৃঙ্খলার রক্ষার দায়িত্ব কি ওই দুর্বৃত্তদের? আসলে মোড়লের ভেতর ভুত থাকলে অবস্থাতো এমনি হবে। কিন্তু এ দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনেরই। তাদেরই আইন করে জানান দিতে হবে এখানে রাস্তা ও ফুটপাথ দখল চলবেনা। এবং তাদেরই হকারদের জন্য পুনর্বাসনমূলক বেবস্থা করে দিতে হবে। অপরদিকে পুলিশের চাঁদা খাওয়া রোধ করার জন্য ডিএমপির নির্দিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দরকার।