বিগব্যাং ব্যাখ্যার জন্য আলোর আগের সময়কাল অন্ধকারে যাবার দরকার হয়নি বিজ্ঞানীদের কারণ বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণার জন্য মহাকাশে ও বিভিন্ন গ্রহে প্রাপ্ত বিলিয়ন বছরের পুরোনো যেসব উপাত্ত ব্যবহার করেছেন সেগুলোই বলে দিয়েছে আলোর আগে অন্ধকার ছিল। নতুন নতুন সৃষ্ট তারা, বিলিয়ন বছর আগের সৃষ্ট তারা (star) যা বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন কিছুদিন আগে, কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড (এতে বিগ ব্যাং থেকে ছেড়ে আসা আলোক এবং রেডিয়েশনের আফ্টারগুলো রয়েছে), মহাকাশযান দ্বারা (স্পেস প্রোব) মহাকাশে প্রাপ্ত বিভিন্ন রেডিয়েশনের মাত্রা, বিভিন্ন গ্রহে মিশন পাঠিয়ে যেসব উপাত্ত পেয়েছেন (ছবি ও সংগ্রহীত ভূমিখণ্ড) সেগুলো তাদের বিগব্যাং এর ব্যাখ্যায় কাজে এসেছে।
For attribution shoutouted to NASA on social twitter.com/DhakaEye
আলো সৃষ্টি হবার আগে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে এ বিশ্বজগৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। বাইবেলে উক্ত সময়কালকে ব্ল্যাকসাবাথ নামে উল্লেখিত। কিন্তু সে অন্ধকারের আগে আবার আলোও ছিল। আর এর প্রমান হচ্ছে বিগবেঙ যা এক প্রচন্ড বিস্ফোরণ ছিল তা থেকে মুহূর্তের মধ্যে অতিকায় আলোর মেঘ ও আলোকিত গ্যাসের ধুলিমালা তৈরী হয়।
For attribution shoutouted to @tyvdh on social twitter.com/DhakaEye
কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড উপাত্তটি মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রমান ব্যাখ্যার জন্য অন্যতম একটি বৈজ্ঞানিক দিক। এর মূল অংশটি মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভ পটভূমির পর্যবেক্ষণ থেকে এসেছে, এতে বিগ ব্যাং থেকে ছেড়ে আসা আলোক এবং রেডিয়েশনের afterglow রয়েছে। বিগ ব্যাংয়ের এই চিহ্নগুলি মহাবিশ্বকে বিস্তৃত করে এবং মাইক্রোওয়েভ সনাক্তকারীদের কাছে দৃশ্যমান, যা বিজ্ঞানীরা প্রাথমিক মহাবিশ্বের clue গুলো একসাথে টুকরো টুকরো করতে সক্ষম করে।
২০০১ সালে নাসা উইলকিনসন মাইক্রোওয়েভ অ্যানিসোট্রপি প্রোব (ডাব্লুএমএপি) মিশন চালু করেছিলেন মহাবিশ্বের মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে রেডিয়েশন পরিমাপ করে শুরুর মহাবিশ্বে যে পরিস্থিতি রয়েছে তা অধ্যয়ন করার জন্য। অন্যান্য আবিষ্কারগুলির মধ্যে, ডাব্লুএমএএপি মহাবিশ্বের বয়স নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছিল – প্রায় 13.7 বিলিয়ন বছর বয়সী। মানে আমরা যে জানি মহাবিশ্বের বয়স ১৩ বিলিয়ন এর বেশি তা প্রমান করার জন্য ডাব্লুএমএএপি এ ব্যাখ্যা অন্যতম।
For attribution shoutouted to Aldebaran S on social twitter.com/DhakaEye